মরক্কোর শক্তিশালী বিশ্বকাপ ২০২৬ স্কোয়াড | Morocco World Cup 2026 Squad
শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬, চলছে টানটান উত্তেজনা। গত বিশ্বকাপে রূপকথা সৃষ্টি করা 'অ্যাটলাস লায়ন্স' বা মরক্কো এবার উত্তর আমেরিকায় (যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা) কী চমক দেখাবে, তা নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। ২০২২ বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান ও আরব দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে খেলে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো। ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই সাফল্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে তারা।
আজকের এই পোস্টে আমরা মরক্কো দলের স্কোয়াড, মূল তারকা এবং তাদের সাম্প্রতিক শক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। বর্তমান কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি এবং মহাতারকা আশরাফ হাকিমির নেতৃত্বে মরক্কো এখন অনেক বেশি পরিণত দল।
আশরাফ হাকিমির নেতৃত্বাধীন এই দলে এবার যুক্ত হয়েছেন ব্রাহিম দিয়াজের মতো বিশ্বমানের সৃজনশীল মিডফিল্ডার। কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা এবার আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। রক্ষণে নায়েফ আগুয়ের্ড এবং মাঝমাঠে সোফিয়ান আমরাবাতের উপস্থিতি দলকে ভারসাম্য প্রদান করে। শক্তিশালী রক্ষণব্যুহ এবং গতিশীল কাউন্টার অ্যাটাকের ওপর ভিত্তি করে 'অ্যাটলাস লায়ন্স'রা আবারও বিশ্বমঞ্চে বড় কোনো অঘটন ঘটাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
ইয়াসিন বুনু (Yassine Bounou): আলহিলালের এই তারকা গোলরক্ষক দলের এক নম্বর ভরসা। অভিজ্ঞতা তাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে রেখেছে।
মুনির এল কাজাউই (Mounir El Kajoui): অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক ব্যাকআপ হিসেবে সবসময় প্রস্তুত।
মেহদি হারার (Mehdi Harrar): ঘরোয়া লিগের পারফরম্যান্স দিয়ে দলে জায়গা করে নিয়েছেন এই তরুণ।
মরক্কোর রক্ষণভাগ বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে পরিচিত।
আশরাফ হাকিমি (Achraf Hakimi): পিএসজির এই রাইট-ব্যাক বর্তমানে দলের অধিনায়ক এবং বিশ্বের সেরা ডিফেন্ডারদের একজন।
নায়েফ আগুয়ের্ড (Nayef Aguerd): মার্সেইয়ের হয়ে খেলা এই সেন্টার-ব্যাক রক্ষণ সামলানোর মূল কারিগর।
নুসাইর মাজরাউই (Noussair Mazraoui): ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তারকা ফুল-ব্যাক দুই প্রান্তেই সমান দক্ষ।
চাদি রিয়াদ (Chadi Riad): ক্রিস্টাল প্যালেসের এই তরুণ তুর্কি রক্ষণে নতুন রক্ত সঞ্চালন করেছেন।
ইসা ডিওপ (Issa Diop): ফুলহাম থেকে আসা এই ডিফেন্ডার দলের শক্তি বাড়িয়েছেন।
মাঝমাঠেই মরক্কোর আসল সৃজনশীলতা।
সোফিয়ান আমরাবাত (Sofyan Amrabat): ফেনারবাচের এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার দলের 'ইঞ্জিন' হিসেবে পরিচিত।
ব্রাহিম দিয়াজ (Brahim Diaz): রিয়াল মাদ্রিদের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার মরক্কোর স্কোয়াডে এখন সবচেয়ে বড় নাম।
বিলাল এল খানৌস (Bilal El Khannouss): লেস্টার সিটির এই তরুণ প্রতিভাকে ভাবা হচ্ছে ভবিষ্যতের মহাতারকা।
আজাদিন উনাহি (Azzedine Ounahi): জিরোনার এই মিডফিল্ডার তার টেকনিক্যাল স্কিলের জন্য সুপরিচিত।
ইসমায়েল সাইবারি (Ismael Saibari): পিএসভির এই খেলোয়াড় মাঝমাঠে গতি ও পাওয়ার যোগ করেন।
গোল করার জন্য মরক্কোর রয়েছে একঝাঁক ক্ষুরধার স্ট্রাইকার।
আইয়ুব এল কাবি (Ayoub El Kaabi): অলিম্পিয়াকোসের এই গোলমেশিন বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন।
ইউসেফ এন-নেসারি (Youssef En-Nesyri): ফেনারবাচের এই দীর্ঘদেহী স্ট্রাইকার এরিয়াল বল এবং হেডিংয়ে সিদ্ধহস্ত।
সুফিয়ান রহিমি (Soufiane Rahimi): আল-আইনের হয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মাতানো এই উইঙ্গার এখন দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ইলিয়াস আখোমাচ (Ilias Akhomach): ভিলারিয়ালের এই তরুণ উইঙ্গার তার গতি দিয়ে যে কোনো রক্ষণ ভেঙে দিতে পারেন।
হামজা ইগামানে (Hamza Igamane): রেঞ্জার্স এফসির এই প্রতিভাবান স্ট্রাইকার হতে পারেন মরক্কোর 'এক্স-ফ্যাক্টর'।
২০২৬ বিশ্বকাপে মরক্কো গ্রুপ 'সি' (Group C) তে অবস্থান করছে। তাদের গ্রুপ সঙ্গী হলো শক্তিশালী ব্রাজিল, স্কটল্যান্ড এবং হাইতি।
মরক্কো বনাম ব্রাজিল: ১৩ জুন, ২০২৬ (মেটলাইফ স্টেডিয়াম, নিউ জার্সি)।
মরক্কো বনাম স্কটল্যান্ড: ১৯ জুন, ২০২৬ (জিলেট স্টেডিয়াম, বোস্টন)।
মরক্কো বনাম হাইতি: ২৪ জুন, ২০২৬ (মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম, আটলান্টা)।
আসলে কাতার বিশ্বকাপের পর মরক্কো দল অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষ করে ব্রাহিম দিয়াজের মতো খেলোয়াড় যারা আগে স্পেনের হয়ে খেলার কথা ছিল, তারা এখন মরক্কোর জার্সি গায়ে তুলছেন। এছাড়া ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে খেলা তরুণদের অন্তর্ভুক্তিতে দলটির গভীরতা বেড়েছে।
কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি মরক্কোর রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলার সাথে আধুনিক আক্রমণাত্মক ফুটবলের সমন্বয় ঘটিয়েছেন। তাদের হাই-প্রেসিং গেম যেকোনো বড় দলের জন্য মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। ফিফা রেংকিংয়ে তাদের অবস্থান এখন ৮ নম্বরে।
শেষ কথা: মরক্কো জাতীয় ফুটবল দল এখন আর কেবল একটি আফ্রিকান শক্তি নয়, তারা বিশ্ব ফুটবলের এক নতুন পরাশক্তি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আশরাফ হাকিমি ও ব্রাহিম দিয়াজদের হাত ধরে মরক্কো আরও একবার বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত। মরক্কোর ভক্তদের প্রত্যাশা এবার হয়তো সেমিফাইনালের গণ্ডি পেরিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে দেখা যাবে 'অ্যাটলাস লায়ন্স'দের।
মরক্কোর দল দল সম্পর্কে:
আশরাফ হাকিমির নেতৃত্বাধীন এই দলে এবার যুক্ত হয়েছেন ব্রাহিম দিয়াজের মতো বিশ্বমানের সৃজনশীল মিডফিল্ডার। কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা এবার আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। রক্ষণে নায়েফ আগুয়ের্ড এবং মাঝমাঠে সোফিয়ান আমরাবাতের উপস্থিতি দলকে ভারসাম্য প্রদান করে। শক্তিশালী রক্ষণব্যুহ এবং গতিশীল কাউন্টার অ্যাটাকের ওপর ভিত্তি করে 'অ্যাটলাস লায়ন্স'রা আবারও বিশ্বমঞ্চে বড় কোনো অঘটন ঘটাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
গোলরক্ষক (Goalkeepers)
ইয়াসিন বুনু (Yassine Bounou): আলহিলালের এই তারকা গোলরক্ষক দলের এক নম্বর ভরসা। অভিজ্ঞতা তাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে রেখেছে।
মুনির এল কাজাউই (Mounir El Kajoui): অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক ব্যাকআপ হিসেবে সবসময় প্রস্তুত।
মেহদি হারার (Mehdi Harrar): ঘরোয়া লিগের পারফরম্যান্স দিয়ে দলে জায়গা করে নিয়েছেন এই তরুণ।
রক্ষণভাগ (Defenders)
মরক্কোর রক্ষণভাগ বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে পরিচিত।
আশরাফ হাকিমি (Achraf Hakimi): পিএসজির এই রাইট-ব্যাক বর্তমানে দলের অধিনায়ক এবং বিশ্বের সেরা ডিফেন্ডারদের একজন।
নায়েফ আগুয়ের্ড (Nayef Aguerd): মার্সেইয়ের হয়ে খেলা এই সেন্টার-ব্যাক রক্ষণ সামলানোর মূল কারিগর।
নুসাইর মাজরাউই (Noussair Mazraoui): ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তারকা ফুল-ব্যাক দুই প্রান্তেই সমান দক্ষ।
চাদি রিয়াদ (Chadi Riad): ক্রিস্টাল প্যালেসের এই তরুণ তুর্কি রক্ষণে নতুন রক্ত সঞ্চালন করেছেন।
ইসা ডিওপ (Issa Diop): ফুলহাম থেকে আসা এই ডিফেন্ডার দলের শক্তি বাড়িয়েছেন।
মধ্যমাঠ (Midfielders)
মাঝমাঠেই মরক্কোর আসল সৃজনশীলতা।
সোফিয়ান আমরাবাত (Sofyan Amrabat): ফেনারবাচের এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার দলের 'ইঞ্জিন' হিসেবে পরিচিত।
ব্রাহিম দিয়াজ (Brahim Diaz): রিয়াল মাদ্রিদের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার মরক্কোর স্কোয়াডে এখন সবচেয়ে বড় নাম।
বিলাল এল খানৌস (Bilal El Khannouss): লেস্টার সিটির এই তরুণ প্রতিভাকে ভাবা হচ্ছে ভবিষ্যতের মহাতারকা।
আজাদিন উনাহি (Azzedine Ounahi): জিরোনার এই মিডফিল্ডার তার টেকনিক্যাল স্কিলের জন্য সুপরিচিত।
ইসমায়েল সাইবারি (Ismael Saibari): পিএসভির এই খেলোয়াড় মাঝমাঠে গতি ও পাওয়ার যোগ করেন।
আক্রমণভাগ (Forwards)
গোল করার জন্য মরক্কোর রয়েছে একঝাঁক ক্ষুরধার স্ট্রাইকার।
আইয়ুব এল কাবি (Ayoub El Kaabi): অলিম্পিয়াকোসের এই গোলমেশিন বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন।
ইউসেফ এন-নেসারি (Youssef En-Nesyri): ফেনারবাচের এই দীর্ঘদেহী স্ট্রাইকার এরিয়াল বল এবং হেডিংয়ে সিদ্ধহস্ত।
সুফিয়ান রহিমি (Soufiane Rahimi): আল-আইনের হয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মাতানো এই উইঙ্গার এখন দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ইলিয়াস আখোমাচ (Ilias Akhomach): ভিলারিয়ালের এই তরুণ উইঙ্গার তার গতি দিয়ে যে কোনো রক্ষণ ভেঙে দিতে পারেন।
হামজা ইগামানে (Hamza Igamane): রেঞ্জার্স এফসির এই প্রতিভাবান স্ট্রাইকার হতে পারেন মরক্কোর 'এক্স-ফ্যাক্টর'।
২০২৬ বিশ্বকাপে মরক্কোর ম্যাচ সময়সূচী:
২০২৬ বিশ্বকাপে মরক্কো গ্রুপ 'সি' (Group C) তে অবস্থান করছে। তাদের গ্রুপ সঙ্গী হলো শক্তিশালী ব্রাজিল, স্কটল্যান্ড এবং হাইতি।
মরক্কো বনাম ব্রাজিল: ১৩ জুন, ২০২৬ (মেটলাইফ স্টেডিয়াম, নিউ জার্সি)।
মরক্কো বনাম স্কটল্যান্ড: ১৯ জুন, ২০২৬ (জিলেট স্টেডিয়াম, বোস্টন)।
মরক্কো বনাম হাইতি: ২৪ জুন, ২০২৬ (মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম, আটলান্টা)।
কেন মরক্কো এবারও ডার্ক হর্স?
আসলে কাতার বিশ্বকাপের পর মরক্কো দল অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষ করে ব্রাহিম দিয়াজের মতো খেলোয়াড় যারা আগে স্পেনের হয়ে খেলার কথা ছিল, তারা এখন মরক্কোর জার্সি গায়ে তুলছেন। এছাড়া ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে খেলা তরুণদের অন্তর্ভুক্তিতে দলটির গভীরতা বেড়েছে।
কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি মরক্কোর রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলার সাথে আধুনিক আক্রমণাত্মক ফুটবলের সমন্বয় ঘটিয়েছেন। তাদের হাই-প্রেসিং গেম যেকোনো বড় দলের জন্য মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। ফিফা রেংকিংয়ে তাদের অবস্থান এখন ৮ নম্বরে।
শেষ কথা: মরক্কো জাতীয় ফুটবল দল এখন আর কেবল একটি আফ্রিকান শক্তি নয়, তারা বিশ্ব ফুটবলের এক নতুন পরাশক্তি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আশরাফ হাকিমি ও ব্রাহিম দিয়াজদের হাত ধরে মরক্কো আরও একবার বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত। মরক্কোর ভক্তদের প্রত্যাশা এবার হয়তো সেমিফাইনালের গণ্ডি পেরিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে দেখা যাবে 'অ্যাটলাস লায়ন্স'দের।
